৩য় সিয়াম | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শাহরু রমাদান ২০২৬
📍 গোধনপাড়া, রানীনগর, মুর্শিদাবাদ
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: রোযার নিয়তের সময়
প্রথম শাখা: ফরয রোযার নিয়তের সময়
প্রথম মাসআলা: রাতে নিয়ত করা (তাবয়ীতুন নিয়্যাহ)-এর বিধান:
ফরয রোযার জন্য সুবহে সাদেকের আগেই রাতে নিয়ত করা ওয়াজিব। এটি জমহুর বা অধিকাংশ আলেমের মত।
ফরয রোযার জন্য সুবহে সাদেকের আগেই রাতে নিয়ত করা ওয়াজিব। এটি জমহুর বা অধিকাংশ আলেমের মত।
মালিকী মাযহাব: ইবনে আব্দুল বার (রহ.) বলেন— "সূর্যাস্ত থেকে সুবহে সাদেক পর্যন্ত সময়ের মধ্যে রাতে নিয়ত করা ছাড়া রমজানের রোযা বৈধ হবে না।" [রেফারেন্স: আল-কাফী (১/৩屜)]
শাফেঈ মাযহাব: আল-মাজমু’ (৬/২৯৯)।
হাম্বলী মাযহাব: আল-ইনসাফ (৩/২০৮)।
শাফেঈ মাযহাব: আল-মাজমু’ (৬/২৯৯)।
হাম্বলী মাযহাব: আল-ইনসাফ (৩/২০৮)।
সালাফগণের অভিমত:
ইমাম শাওকানী (রহ.) বলেন— "হাদিসটি প্রমাণ করে যে, রাতে নিয়ত করা এবং রাতের কোনো একটি অংশে তা সম্পন্ন করা ওয়াজিব। সাহাবীদের মধ্যে ইবনে ওমর ও জাবির ইবনে যায়েদ এবং ইমাম মালিক, লাইস ও ইবনে আবি যিব এই মত পোষণ করেছেন।" [নাইলুল আওতার (৪/২৩২)]
দলিলসমূহ:
১. সুন্নাহ থেকে: রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী— "নিশ্চয়ই আমলসমূহ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল..."।
দলিলের ধরণ: রোযা একটি আমল, আর আমল নিয়ত সাপেক্ষে গণ্য হয়। যেহেতু দিনের অংশগুলো রাতের সাথে অবিচ্ছিন্নভাবে যুক্ত, তাই রাতের কোনো অংশে নিয়ত থাকলেই তা দিনের শুরুতে কার্যকর হবে। [রেফারেন্স: সুবুলুস সালাম (১/৫৬১)]
২. আসার (সাহাবীর বাণী) থেকে: নবী (সা.)-এর সহধর্মিণী হযরত হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— "যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোযার সংকল্প সংহত করেনি, তার কোনো রোযা নেই।" [রেফারেন্স: নাসাঈ (২৩৩৬), মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা (৯১১২), বুখারী-তারীখুল আওসাত (৫৭২), দারাকুতনী (২২১৭)।]
দলিলের ধরণ: রোযা একটি আমল, আর আমল নিয়ত সাপেক্ষে গণ্য হয়। যেহেতু দিনের অংশগুলো রাতের সাথে অবিচ্ছিন্নভাবে যুক্ত, তাই রাতের কোনো অংশে নিয়ত থাকলেই তা দিনের শুরুতে কার্যকর হবে। [রেফারেন্স: সুবুলুস সালাম (১/৫৬১)]
২. আসার (সাহাবীর বাণী) থেকে: নবী (সা.)-এর সহধর্মিণী হযরত হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— "যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোযার সংকল্প সংহত করেনি, তার কোনো রোযা নেই।" [রেফারেন্স: নাসাঈ (২৩৩৬), মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা (৯১১২), বুখারী-তারীখুল আওসাত (৫৭২), দারাকুতনী (২২১৭)।]
দ্বিতীয় মাসআলা: প্রতিদিন নতুন করে নিয়ত করার বিধান
প্রথম মত: প্রতিদিনের জন্য পৃথক নিয়ত শর্ত (জমহুর ওলামা)। এটি হানাফী, শাফেঈ ও হাম্বলী মাযহাবের নির্ভরযোগ্য মত।
যুক্তিনির্ভর দলিল: রমজান মাসের প্রতিটি দিনের রোযা একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। এক দিনের রোযা নষ্ট হলে অন্য দিনের রোযায় তার প্রভাব পড়ে না।
যুক্তিনির্ভর দলিল: রমজান মাসের প্রতিটি দিনের রোযা একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। এক দিনের রোযা নষ্ট হলে অন্য দিনের রোযায় তার প্রভাব পড়ে না।
কিয়াস: যেমন পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের জন্য আলাদা নিয়ত লাগে, তেমনি রোযার ক্ষেত্রেও প্রতিদিনের জন্য আলাদা নিয়ত প্রয়োজন। [রেফারেন্স: আল-মুহাল্লা (৪/২৯০)]
দ্বিতীয় মত: পুরো মাসের শুরুতে এক নিয়তই যথেষ্ট (মালিকী মাযহাব ও ইবনে উসাইমীন)। তবে ধারাবাহিকতা ভাঙলে নতুন নিয়ত লাগবে।


Post a Comment